দুইয়ে দুই বাংলাদেশ

মোস্তাফিজুর রহমানের দুর্দান্ত বলের পর আফিফ হাসানের ব্যাটে চড়ে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচেও জয়ের দেখা পেয়েছে বাংলাদেশ। এই জয়ে ৫ ম্যাচের সিরিজে ২-০ তে এগিয়ে গেল বাংলাদেশ।

বুধবার টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশি বোলারদের কিপটে বোলিংয়ে ৭ উইকেট ১২১ রান তুলে অস্ট্রেলিয়া। জবাবে ব্য্যাট করতে নেমে ৮ বল আর ৫ উইকেট হাতে রেখেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় টাইগাররা।

দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩১ বলে ৩৭ রান করেন আফিফ হাসান। সাকিব আল হাসান ১৭ বলে ২৬, মাহাদি হাসান ২৪ বলে ২৩ ও নুরুল হাসান ২১ বলে ২২ রান করেন।


এদিনও শুরুটা দারুণ করেছে বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়া সতর্ক শুরু করলেও পাওয়ার প্লেতে দলটি ২ উইকেট তুলে নিয়েছে টাইগাররা।
৬ ওভার শেষে ৩২ রান তুলেছে সফরকারী অজিরা।

দলীয় ১৩ রানে ওপেনার অ্যালেক্স ক্যারিকে নাসুম আহমেদের ক্যাচে পরিণত করেন মেহেদী হাসান। আর ষষ্ঠ ওভারে বোলিংয়ে আসা মোস্তাফিজুর রহমান বোল্ড করেন আরেক ওপেনার জস ফিলিপকে।

তৃতীয় উইকেটে জুটি গড়েন মিচেল মার্শ ও মোসেস হেনরিকুয়েস। ১৫তম ওভারে হেনরিকুয়েসকে ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন সাকিব আল হাসান। ৮৮ রানের মাথায় পড়ে তৃতীয় উইকেট।

এরপর ৯৯ রানের মাথায় শরীফুলের শিকার হন মিচেল মার্শ। ৪২ বলে তিনি করেন ৪৫ রান। ১৮তম ওভারে মোস্তাফিজ দুই বলে ম্যাথু ওয়েড ও অ্যাস্টন অ্যাগারকে ফিরিয়ে দিলে বড় রানের আশা ভেঙে যায় অজিদের।

শেষ পর্যন্ত ৭ উইকেটে তারা করে ১২১ রান। মোস্তাফিজ নিয়েছেন ৩ উইকেট আর শরীফুল ২ উইকেট।

১২২ রানের সহজ টার্গেট তাড়া করতে নেমে ইনিংসের ২.২ ওভারে মিচেল স্টার্কের গতির বলে বোল্ড হন সৌম্য সরকার। প্রথম ম্যাচে ২ রানে আউট হওয়া এ ওপেনার এদিন ফেরেন শূন্য রানে।

সৌম্য আউট হওয়ার ঠিক পরের ওভারের প্রথম বলে জশ হ্যাজলউডের বলে বোল্ড নাঈম শেখও। আগের ম্যাচে ৩০ রান করা নাঈম, এদিন আউট হন ১৩ বলে ৯ রানে।

দলীয় ৫৮ রানে এন্ডু টাইয়ের বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন সাকিব আল হাসানও। সাজঘরে ফেরার আগে ১৭ বলে ২৬ রান করে সাকিব।

দুর্ভাগ্য মাহমুদউল্লাহ রিযাদের। বল ব্যাটে লেগে স্টাম্পে গিয়ে আঘাত হানে। সৌম্য, নাঈম, সাকিবের মতো বোল্ড হয়ে ফেরেন অধিনায়ক।

ডাউন দ্য উইকেটে খেলতে গিয়ে স্ট্যাম্পিং হয়ে ফেরেন মেহেদি হাসান। ১১.২ ওভারে দলীয় ৬৭ রানে পঞ্চম ব্যাটসম্যান হিসেবে সাজঘরে ফেরেন মেহেদি। তার আগে ২৪ বলে করেন ২৩ রান।

এরপর নুরুল হাসান সোহানকে সঙ্গে নিয়ে ৪৪ বলে ৫৬* রানের অবিচ্ছি জুটি গড়ে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছেদেন তরুণ ব্যাটসম্যান আফিফ হোসেন। দলের জয়ে ৩১ বলে ৫টি চার ও এক ছক্কায় ৩৭ রান করেন আফিফ হোসেন। ২১ বলে ২২ রান করে অপরাজিত থাকেন সোহান।