লিটন-মুশফিকের ব্যাটে শক্ত অবস্থানে বাংলাদেশ

টি-২০র পর টেস্টেও ভুগেছে বাংলাদেশের টপ অর্ডার ব্যাটাররা। প্রথম সেশন শেষে বাংলাদেশের রান ৬৯। উইকেট হারিয়েছে ৪টি। তবে এরপর প্রতিরোধ গড়েছেন লিটন দাস ও মুশফিকুর রহিম। তাদের ব্যাটে দ্বিতীয় সেশন পার হয়েছে খুব সহজেই।

প্রথম সেশন শেষে লাঞ্চ বিরতিতে যাওয়ার আগে বাংলাদেশের রানরেট ২.৪৬ করে। তবে দ্বিতীয় সেশনে এসে হাল ধরেন লিটন দাস ও মুশফিকুর রহিম। তরা দুজনই তুলে নেন ফিফটি। ৫৯ ওভারে বাংলাদেশের রান ১৭১ রান। উইকেট ৪টি হারিয়েছে।

বাংলাদেশের প্রথম উইকেটের পতন হয় পঞ্চম ওভারেই। শাহিন আফ্রিদির শিকার হন সাইফ হাসান। ১২ বলে তিনি করেন ১৪ রান। দ্বিতীয় উইকেট তুলে নেন হাসান আলী। তিনি ফেরান ১৪ রান করা সাদমান ইসলামকে।

প্রথম দিনই চট্টগ্রামের উইকেটে বলকে লাটিমের মত ঘোরাচ্ছেন পাকিস্তানি স্পিনার সাজিদ খান। ডান হাতি এই অফব্রেক বোলারের ঘূর্ণিতে ১৯ বলে ৬ রান করে ফিরে যান মুমিনুল হক।

সাজিদ খানের করা ইনিংসের ১৬তম ওভারের প্রথম বলেই ব্যাটের কানায় লাগিয়ে ক্যাচ দেন মোহাম্মদ রিজওয়ানের হাতে। আম্পায়ার আউট না দিলে রিভিউ নেয় পাকিস্তান। তাতে দেখা যায়, ব্যাটের কানায় লাগিয়েছেন বল মুমিনুল হক।

পরের ওভারেই উইকেট দিলেন নাজমুল হোসেন শান্ত। পাকিস্তানের মিডিয়াম পেসার ফাহিম আশরাফের বলকে খেলতে গিয়ে পয়েন্টে ক্যাচ দেন সাজিদ খানের হাতে। টিভি আম্পায়ার রিপ্লে দেখে আউট দেন। তখন দলীয় রান ছিল মাত্র ৪৯। এরপর ক্রিজে আসা লিটন দাস ও মুশফিকুর রহিম জুটি গড়েন।