যেকোনো সময় বাধতে পারে তুরস্ক-সাইপ্রাস যুদ্ধ

সমুদ্রে খনিজের খনি খোঁজা নিয়ে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে সাইপ্রাস ও তুরস্কের সম্পর্ক। যেকোনো সময় এই দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধ লেগে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সাম্প্রতিক সময়ে সাইপ্রাসের সাথে সমুদ্রে তেল সন্ধান নিয়ে দ্বন্দ্ব চলছে তুরস্কের। টার্কিশ সাইপ্রিয়টের কাছাকাছি সমুদ্রে তেল অনুসন্ধান চালাচ্ছে তুর্কি কোম্পানি। এতে আপত্তি রয়েছে সাইপ্রাসের।

এছাড়া মাঝে মাঝেই তুর্কি নৌবাহিনী সাইপ্রাসের নৌসীমা লঙ্ঘন করে বলে অভিযোগ রয়েছে দ্বীপদেশটির। এর জেরেই দু’পক্ষের সম্পর্কের অবনতি হয়।

এরপর গতকাল তুর্কি প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোগান সাইপ্রাসকে হুমকি দিয়ে বলেন, প্রয়োজনে ৪৫ বছর আগের মতো আবারও সাইপ্রাসে অভিযান চালাতে পিছপা হবে না বীর তুর্কি সেনারা। আমাদের সেনা দেশের স্বার্থ রক্ষায় সব সময় প্রস্তুত আছে।

এ বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানায় সাইপ্রাসের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তাদের দাবি, তুরস্ক তাদের ভূখণ্ডের মধ্যে ঢুকে খনিজ সন্ধান করছে। এতে তাদের স্বাধীনতা ব্যাহ হচ্ছে। তুরস্ক দ্রুত তাদের লোকজনকে সরিয়ে না নিলে সাইগ্রাস কড়া ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হবে।

গ্রিসের সহায়তায় সংক্ষিপ্ত অভ্যুত্থানের পর তুরস্কের অভিযানে ১৯৭৪ সালে বিভক্ত হয়ে যায় সাইপ্রাস। একাংশ টার্কিশ সাইপ্রিয়ট নামে পরিচিত। সেখানে তুর্কি বংশোদ্ভুত মুসলমান জনসংখ্যা বেশি। দ্বীপটিতে তুরস্কের পছন্দের সরকার শাসন করে আসছে ৭৪ সালের পর থেকে। তুরস্ক ছাড়া অন্য কেউ এটিকে রাষ্ট্র হিসেবে মর্যাদা দেয়না। পরবর্তীতে সাইপ্রাসের দুই অংশের মধ্যে বেশ কিছু শান্তিচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। এক পর্যায়ে দেশটির উপকূলীয় সম্পদ আবিষ্কারের পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে যায়।