দেশী গরুর দুধে সোনা থাকে: দিলীপ

গরুর দুধে ‘সোনা’র হদিস দিলেন পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

ভারতের বর্ধমান শহরের টাউনহলে ‘ঘোষ এবং গাভীকল্যাণ সমিতি’র সভায় সোমবার তিনি এ দাবি করেন।

দিলীপ বলেন, বিদেশি গোরুর দাপটে দেশী গরুর জাত শেষ হয়ে যাচ্ছে। সম্প্রতি গীর প্রজাতির গরু পোষার প্রভাব বাড়ছে। দুধও বেশি। তার মধ্যে ঔষধি গুণ রয়েছে। গরুকে দেবতা জ্ঞানে পুজো করা হয়। গোমূত্র থেকে ওষুধ তৈরী হচ্ছে। কিন্তু অনেকে আছেন যারা গরুর নাম শুনলেই গায়ে জ্বর আসে।

তিনি বলেন, বিদেশী ভাবধারায় তাঁরা কুকুর পোষেন। কিন্তু গরু নয়। অনেকে বিদেশী গরু পোষেন। কিন্তু বিদেশী গরু গরুই নয় বলে জানান দিলীপ বাবু। তিনি বিদেশী গরুকে একটা জন্তু মাত্র বলেও অভিহিত করেন।

তিনি আরও বলেন, বিদেশিদের ওই গরু হাম্বা করে ডাকেও না। যে গরু হাম্বা করে ডাকে না সেটা নাকি গরুর প্রজাতির মধ্যে পড়ে না। ওই গরুর দুধ থেকে কোনেও ঔষধী গুণও পাওয়া যায় না। কিন্তু অনেকেই বিদেশী গরু পুষছেন। কিন্তু আমাদের দেবতারা বিদেশী জিনিস পছন্দ করেন না। কিন্তু অনেকেই ইংরাজী শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে বিদেশী জিনিস পছন্দ করেন। ইংরেজী বউও পছন্দ করেন। অনেক নেতাও বিদেশী স্ত্রী নিয়ে এসেছেন।

তিনি দাবি করেন, দেশী গরুর দুধে সোনার ভাগ থাকে। তাই দুধের রং হলুদ হয়। তাঁর ব্যাখ্যা, দেশি গরুর কুঁজের মধ্যে স্বর্ণনাড়ি থাকে। সূর্যের আলো পড়লে, সেখান থেকে সোনা তৈরি হয়।

‘তত্ত্ব’ শুনে বিজ্ঞানী-বিশেষজ্ঞদের একটা বড় অংশের চক্ষুচড়কগাছ। তাঁদের স্বীকারোক্তি, এমন ‘বৈজ্ঞানিক’ গবেষণা পৃথিবীর কোথাও হয়েছে বলে তাঁদের জানা নেই।

এর আগে উত্তরাখণ্ডের বিজেপি মন্ত্রী রেখা আর্য দাবি করেছিলেন, গরুই একমাত্র পশু, যে শ্বাস গ্রহণের সময় শুধু অক্সিজেন গ্রহণ করে না, প্রশ্বাসের সঙ্গে তা পরিবেশে ফিরিয়েও দেয়।