করোনাভাইরাস: মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৮৯৬১

বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছে করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯)। ইতোমধ্যে ১৭০টিরও বেশি দেশে করোনার অস্তিত্ব শনাক্ত হয়েছে। করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রতিনিয়ত বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। বুধবার পর্যন্ত বিশ্বে করোনায় নিহত হয়েছেন ৮৯৬১ জন। এছাড়া এখন পর্যন্ত ২ লাখ ১৯ হাজার ৮৭ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। অপরদিকে, হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৮৫ হাজার ৬৭৩ জন।


চীনের মূল ভূখণ্ডে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৮০ হাজার ৯২৮ এবং মারা গেছে ৩ হাজার ২৪৫ জন। এরপরেই সর্বোচ্চ মৃত্যুর ঘটনা ইতালিতে। সেখানে এখন পর্যন্ত ২ হাজার ৯৭৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্ত হয়েছে ৩৫ হাজার ৭১৩ জন।
ইরানে আক্রান্তের সংখ্যা ১৭ হাজার ৩৬১ এবং মারা গেছে ১ হাজার ১৩৫ জন। স্পেনে এখন পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা ১৪ হাজার ৭৬৯ এবং মৃত্যু হয়েছে ৬৩৮ জনের।
জার্মানিতে এই প্রাণঘাতী ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ১২ হাজার ৩২৭ এবং মারা গেছে ২৮ জন। যুক্তরাষ্ট্রে এই ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ৯ হাজার ৩৭১ এবং মৃত্যু হয়েছে ১৫৩ জনের।
ফ্রান্সে এই ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ৯ হাজার ১৩৪ এবং মারা গেছে ২৬৪ জন। দক্ষিণ কোরিয়ায় এই ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ৮ হাজার ৫৬৫ এবং মৃত্যু হয়েছে ৯১ জনের।
সুইজারল্যান্ডে এই ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ৩ হাজার ১১৫ এবং মারা গেছে ৩৩ জন। যুক্তরাজ্যে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে ২ হাজার ৬২৬ জন এবং মারা গেছে ১০৪ জন।
নেদারল্যান্ডে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ২ হাজার ৫১ এবং মৃত্যু ৫৮, অস্ট্রিয়ায় আক্রান্ত ১ হাজার ৬৪৬ এবং মৃত্যু ৪, নরওয়েতে মোট আক্রান্ত ১ হাজার ৫৯১ এবং মারা গেছে ৬ জন।
বেলজিয়ামে আক্রান্ত ১ হাজার ৪৮৬ এবং মারা গেছে ১৪ জন। সুইডেনে আক্রান্ত ১ হাজার ৩০১ এবং মারা গেছে ১০ জন। জাপানে আক্রান্ত ৯১৪ এবং মারা গেছে ২৯ জন। মালয়েশিয়ায় আক্রান্ত ৭৯০ এবং মৃত্য ২।
অস্ট্রেলিয়ায় আক্রান্তের সংখ্যা ৫৯৬ এবং মারা গেছে ৬ জন। কাতারে আক্রান্তের সংখ্যা ৪৫২ এবং সিঙ্গাপুরে ৩১৩, পাকিস্তানে আক্রান্ত ৩০৭ এবং মারা গেছে ২ জন, সৌদি আরবে আক্রান্ত ২৩৮, ফিলিপাইনে আক্রান্ত ২০২ এবং মারা গেছে ১৭ জন। ভারতে আক্রান্ত ১৬৯ এবং মৃত্যু ৩।
অপরদিকে ইরাকে আক্রান্তের সংখ্যা ১৬৪ এবং মৃত্যু ১২, কুয়েতে আক্রান্ত ১৪২, আরব আমিরাতে ১১৩, ওমানে ৩৯, বাংলাদেশে নতুন করে আক্রান্ত ৪ ফলে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১৪। এছাড়া এখন পর্যন্ত দেশটিতে একজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে এবং সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ৩ জন।


করোনাভাইরাস মূলত শ্বাসতন্ত্রে সংক্রমণ ঘটায়। এর লক্ষণ শুরু হয় জ্বর দিয়ে, সঙ্গে থাকতে পারে সর্দি, শুকনো কাশি, মাথাব্যথা, গলাব্যথা ও শরীর ব্যথা। সপ্তাহখানেকের মধ্যে দেখা দিতে পারে শ্বাসকষ্ট। উপসর্গগুলো হয় অনেকটা নিউমোনিয়ার মত। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভালো হলে এ রোগ কিছুদিন পর এমনিতেই সেরে যেতে পারে। তবে ডায়াবেটিস, কিডনি, হৃদযন্ত্র বা ফুসফুসের পুরোনো রোগীদের ক্ষেত্রে ডেকে আনতে পারে মৃত্যু।