অবশেষে করোনা নিয়ে গোপন তথ্য প্রকাশ করলো চীন

অবশেষে করোনাভাইরাস কবে, কোথায় ধরা পড়েছিল সেকথা স্বীকার করে নিল চীন।

মঙ্গলবার চীনের তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে ডিসেম্বরের শেষে উহান শহরে ধরা পড়েছিল এই ভাইরাস।

বিশ্বজুড়ে যখন করোনা ভাইরাসের উৎস নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, তখন চীন জানান যে তাদের দেশে এই ভাইরাসে ৩,৩৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্ত হয়েছে ৮১,৭৪০ জন। চীনে এখনও ১২০০ জনের চিকিৎসা চলছে। বাকিদের চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

অনেকেরই বক্তব্য, চীনের উহানের ল্যাব থেকেই ছড়িয়েছিল এই মারণ ভাইরাস, যদিও এর কোনও প্রমাণ এখনও মেলেনি। তবে এই ধারণাকে খুব সম্ভবত বিশ্বাস করতে চলেছে ব্রিটেনও। এর আগে অবশ্য মার্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প বারেবারেই এনব্যাপারে চীনকে দোষী ঠাউরিছেন, এবার সেই একই রাস্তায় ইংল্যান্ডও।

সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইলকে একটি স্বাক্ষাৎকারে ব্রিটেনের কোবরা কমিশনের জানিয়েছেন, উহানের গবেষণাগারে এই মারণ ভাইরাস তৈরির সম্ভাবনাকে কোনও ভাবেই উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

সব মিলিয়ে মারণ ভাইরাস করোনা নিয়ে ফের একবার কিছুটা হলেও চাপে পরে গেল চীন। কারণ, এর আগে ইসরায়েলি ও মার্কিন বিজ্ঞানীরা চীনা ল্যাবকে দোষী বানালেও এবার ওই একই রাস্তা নিল ব্রিটেনও।

এর আগে চীনে করোনায় কতজন মারা গিয়েছে সেই সংখ্যার ওপর প্রশ্নচিহ্ন তোলেন খোদ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

মার্কিন গোয়েন্দা বিভাগের দাবি, হুবেই প্রদেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা প্রচুর। কিন্তু সেই তথ্য চেপে রেখে আসলে ভুয়ো খবর বাজারে ছড়িয়েছে চীন। মার্কিন গোয়েন্দা বিভাগের রিপোর্ট, বহু বছর ধরে ভাইরাসের কারণে হুবেই প্রদেশে মৃত্যু হচ্ছে প্রচুর মানুষের। কিন্তু গোটা আন্তর্জাতিক মহলকে বোকা বানিয়ে যাচ্ছে বেইজিং।

অন্যদিকে চীনের দাবি, তাঁরা করোনা রুখতে সক্ষম হয়েছে। দেশের একাধিক জায়গা থেকে লকডাউন তুলেও নেওয়া হয়। এমনকি করোনা আক্রান্ত হুবেই প্রদেশ থেকে বাড়ি ফেরেন স্বাস্থ্যকর্মীরাও। চীনা সরকার জানায় তাঁদের জনজীবন ছন্দে ফিরছে।