ইরানে খুলে দেয়া হচ্ছে ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক স্থাপনা

ইরানে ২৪ মে পালিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল ফিতর। দেশটির প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি জানিয়েছেন ঈদের পরদিন সোমবার থেকেই দেশটির সব ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক স্থাপনা খুলে দেওয়া হবে। 


শনিবার (২৩ মে) করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ বিষয়ক টাস্কফোর্সের বৈঠকে সরকারের এ সিদ্ধান্তের কথা জানান তিনি।

হাসান রুহানি বলেন, করোনা মহামারি মোকাবিলায় ইরানে যেসব বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছিল সেগুলো ইতোমধ্যেই শিথিল করা হয়েছে। এর প্রেক্ষিতেই ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক স্থাপনা খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

যেসব এলাকায় এখনও বিধি-নিষেধ বহাল রয়েছে সেসব এলাকার ধর্মীয় ও দর্শনীয় স্থাপনাগুলো অবশ্য বন্ধ থাকবে।

ইরানের প্রেসিডেন্ট জানান, আগামী শনিবার থেকে দেশটির সব কর্মী কাজে যোগ দেবেন।

তিনি বলেন, আমরা বলতে পারি যে করোনাভাইরাস বিষয়ে আমরা তিনটি স্তর অতিক্রম করেছি। প্রথম স্তরে ভাইরাস বিস্তারের বিষয়ে ঘোষণা করা এবং এটি নিয়ন্ত্রণের জন্য দেশের সক্ষমতাকে প্রস্তুত করা হয়।

দ্বিতীয় স্তরে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার মাধ্যমে ভাইরাস নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং তৃতীয় স্তরে স্মার্ট দূরত্ব অনুসরণের মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে সবকিছু খুলে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া।

হাসান রুহানি বলেন, আমরা এখন করোনাভাইরাস পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ ও মোকাবিলার চতুর্থ স্তরে রয়েছি।