কে এই ইরানের নতুন ‘কাসেম সোলাইমানি’ ?

ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর কাছে সবচেয়ে আতঙ্কের নাম ছিল ইরানের ইসলামিক রেভ্যুলশনারি গার্ড কর্পসের জেনারেল কাসেম সোলাইমানি। কিন্তু বছর দুয়েক আগে ইরাকে এক ড্রোন হামলা চালিয়ে তাকে হত্যা করে ইসরায়েল ও তার মিত্রবাহিনী। এ ঘটনার পর বেশ স্বস্তিতেই ছিল ইসরায়েল। কারণ কাসেম সোলাইমানিকে হারিয়ে বেশ দুর্বল হয়ে পড়েছিল ইরানি বাহিনী। কিন্তু সম্প্রতি আবার তারা পাল্টা হামলা শুরু করেছে। এর নেতৃত্ব দিচ্ছেন জেনারেল আমির আলি হাজিজাদেহ। তাকে নয়া ‘কাসেম সোলাইমানি’ বলা হচ্ছে। এ নিয়ে বেশ চিন্তিত ইসরায়েল ও তার মিত্র বাহিনী।


লন্ডনভিত্তিক গণমাধ্যম মিডল ইস্ট আই জানিয়েছে এর কারণ।


সম্প্রতি ইসরাইল সংশ্লিষ্ট বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা এবং ক্রমাগত ইরানি ড্রোনের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ইসলামিক রেভ্যুলশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) অ্যারোস্পেস ফোর্সের কমান্ডার হাজিজাদেহকে ব্যক্তিগতভাবে দায়ী বলে মনে করা হয়।


ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী বেনি গান্টজ বলেন, এ অঞ্চলে ড্রোন ও মিসাইল ব্যবহার করে কয়েক ডজন সন্ত্রাসী হামলার পেছনে আইআরজিসির এয়ারফোর্সের কমান্ডার আমির আলি হাজিজাদেহের হাত রয়েছে।


ইসরাইলের নিরাপত্তা কর্মকর্তা, বিশ্লেষক ও পর্যবেক্ষকরা মনে করেন, আমির আলি হাজিজাদেহ ‘নতুন কাসেম সোলাইমানি’।


কাসেম সোলাইমানিকে যুক্তরাষ্ট্র মোসাদের সহায়তায় ২০২০ সালে বাগদাদে ড্রোন হামলায় হত্যা করে। যদিও এখনও আমির আলি হাজিজাদেহ সোলাইমানির মতো উচ্চতায় পৌঁছাতে পারেননি। কিন্তু দেশে ও বিদেশে তার জনপ্রিয়তা দ্রুত বাড়ছে।


মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক অভিযান পরিচালনার ক্ষেত্রে ইরান এবং তার মিত্ররা ক্রমবর্ধমানভাবে ড্রোনের ব্যবহার বাড়িয়েছে। আর মধ্যপ্রাচ্যের দেশটির ড্রোনের সক্ষমতা বৃদ্ধির এ কারিগর অন্যদের চেয়ে ইরানের শত্রুদের জন্য ‘ভয়ঙ্কর শত্রু’হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছেন বলে মনে করছে ইহুদিবাদী রাষ্ট্রটির সমরবিদরা।