খোলাবাজারে বিক্রি হচ্ছে একে ৪৭-রকেট লঞ্চার

তালেবান নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার পর থেকে অস্ত্র বিক্রি বেড়েছে আফগানিস্তানে। খোলা বাজারেই চলছে বিভিন্ন ধরনের আগ্নেয়াস্ত্রের বেচা-কেনা। পিস্তল, রাইফেল, মেশিনগান থেকে শুরু করে রকেট লঞ্চার পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে আফগানিস্তানের বিভিন্ন এলাকায়।


কান্দাহারের পাঞ্জওয়েই এলাকার একটি বাজারের দৃশ্যে দেখা গেছে, অন্যান্য দ্রব্যের মতোই খোলা বাজারে বিক্রি হচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র। একে-৪৭ থেকে শুরু করে আরপিজি, কী নেই এই বাজারে! তালেবান আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রণ নেয়ার থেকেই খোলাবাজারে বেড়েছে এ ধরনের অস্ত্রের বেচা-কেনা।


খোদা দাদ আফগানিস্তানের একজন অস্ত্র ব্যবসায়ী। তিনি বলেছেন, যে কেউ আমাদের এখান থেকে অস্ত্র কিনতে পারে। তালেবান ক্ষমতা নেয়ার পর থেকেই সবার মাঝে ভয় বেড়েছে। ফলে অস্ত্র বিক্রিও বেড়েছে। রাশিয়ান অস্ত্রগুলোর দাম সাতশো ডলার থেকে শুরু, সর্বোচ্চ বারোশো ডলার পর্যন্ত হয়। তবে চীনের অস্ত্রগুলো তুলনামূলক অনেক সস্তা।


ব্যবসায়ীরা বলছেন, মূলত মার্কিন এবং আফগান বাহিনীর ফেলে যাওয়া অস্ত্রের পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে পাচার হওয়া অস্ত্র বিক্রি করেন তারা।


আরেকজন অস্ত্র ব্যবসায়ী বলেছেন, আফগান বাহিনীর ফেলে যাওয়া অস্ত্র কিংবা নিরাপত্তা চৌকি থেকে লুট হওয়া অস্ত্র বিক্রি করা হয় আমাদের কাছে। কখনো কখনো বাইরে থেকেও আমরা এসব অস্ত্র সংগ্রহ করি।


তালেবান আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রণ নেয়ার পর থেকে শঙ্কা দেখা দিয়েছে গৃহযুদ্ধের। বিশ্লেষকরা বলছেন, অভ্যন্তরীণ অস্থিতিশীলতায় ব্যবহৃত হতে পারে এসব অস্ত্র।