স্ত্রীর বিরুদ্ধে স্বামীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ

গোপালগঞ্জে পরকীয়ার জের ধরে স্বামীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্ত্রীর বিরুদ্ধে। রবিবার দিবাগত রাতে কোটালীপাড়া উপজেলার কুশলা ইউনিয়নের ধোড়ার গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। সোমবার (২০ জুন) ভোরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান ফরিদ শেখ (৪০)।


এ ঘটনায় নিহত ফরিদের বাবা ইয়ার আলী পুত্রবধূ মুক্তাকে অভিযুক্ত করছেন।


কোটালীপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জিল্লুর রহমান হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। নিহত ফরিদ শেখ কোটালীপাড়া উপজেলার ধোড়ার গ্রামের ইয়ার আলী শেখের ছেলে।


ওসি মো. জিল্লুর রহমান জানান, ধোড়ার গ্রামের ইয়ার আলী শেখের ছেলে ফরিদ শেখ (৪০) দীর্ঘদিন ধরে ঢাকার একটি হোটেলে বাবুর্চির কাজ করতেন। এ সময় ফরিদ শেখের স্ত্রী মুক্তা বেগম (৩৫) একাধিক ব্যক্তির সাথে পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। এ বিষয় নিয়ে তাদের প্রায়ই পারিবারিক কলহ লেগে থাকত।


তিনি আরও জানান, রবিবার রাতে ফরিদ শেখের চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে প্রথমে কোটালীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যায়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসারত অবস্থায় সোমবার ভোরে ফরিদ শেখ মারা যান।


পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, কে বা কারা ফরিদ শেখকে হত্যা করেছে সেটি এখনও জানা যায়নি। আমরা ফরিদ শেখের হত্যাকারী এবং কেন তাকে হত্যা করা হয়েছে তা খুঁজে বের করার চেষ্টা করছি।


ফরিদ শেখের বাবা ইয়ার আলী শেখ বলেন, আমার ছেলের সঙ্গে পুত্রবধূ মুক্তা বেগমের প্রায়ই ঝগড়া হতো। মুক্তা বিভিন্ন সময়ে আমার ছেলেকে হত্যার হুমকি দিতো। এ ঘটনায় আমার ছেলে কোটালীপাড়া থানায় একটি জিডিও করেছিল। আমার ধারণা মুক্তা বেগমই আমার ছেলেকে কুপিয়ে হত্যা করেছে।