ঘুমের মধ্যে মুখেই মলত্যাগ পোষা কুকুরের!

ব্রিটেনের এক মহিলার মুখে মলত্যাগ করল তাঁরই সাধের পোষা কুকুর। মল পেটে গিয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। ৫১ বছর বয়সি ওই মহিলাকে ভর্তি করতে হয় হাসপাতালে। তিন দিন পর ছাড়া পান তিনি। ঘুমের মধ্যেই আমান্ডার মুখগহ্বরের ভিতর মল ত্যাগ করে চিয়াউয়া প্রজাতির কুকুরটি।


দুপুরবেলা নিশ্চিন্তে ভাতঘুম দিচ্ছিলেন ব্রিটেনের বাসিন্দা আমান্ডা গোমমো। সেই ঘুমই যে এমন কেলেঙ্কারির কারণ হবে তা স্বপ্নেও ভাবেননি তিনি। ঘুমের মধ্যেই আচমকা মুখের ভিতর নরম ভেজা ভেজা কোনও একটি জিনিস অনুভব করেন ৫১ বছর বয়সি আমান্ডা। ধড়ফড়িয়ে ওঠেন, নাকে এসে লাগে তীব্র দুর্গন্ধ। কিছু ক্ষণ পরই বুঝতে পারেন, মুখে এসে পড়া জিনিসটি আর কিছুই নয়, পোষা কুকুরের মল!


সংবাদমাধ্যমকে আমান্ডা জানিয়েছেন, ক’দিন ধরেই পেটের সমস্যায় ভুগছিল তাঁদের ‘পুচ’। ঘটনার দিনই কুকুরটিকে পশুচিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান তাঁর মেয়ে। ফিরে এসে কুকুরটিকে নিয়েই বিছানায় শুতে যান আমান্ডা। কিন্তু স্বপ্নেও ভাবেননি এমন কাণ্ড করবে সাধের পোষ্য। ঘুমের মধ্যেই তাঁর মুখগহ্বরের ভিতর মল ত্যাগ করে চিয়াউয়া প্রজাতির কুকুরটি। দেরি না করেই চিকিৎসকের কাছে দৌড়ান আমান্ডা।


চিকিৎসক প্রাথমিক ভাবে কিছু ওষুধ পত্র দিয়ে ছেড়ে দিলেও অসুস্থ বোধ করছিলেন আমান্ডা। সংবাদমাধ্যমকে তিনি জানিয়েছেন, কিছুতেই মুখ থেকে মলের স্বাদ দূর হচ্ছিল না তাঁর। শুধু মুখের স্বাদই নয়, ঘটনার দু’দিনের মাথায় তীব্র পেট ব্যথাও শুরু হয় তাঁর। দেখা দেয় ডায়েরিয়ার উপসর্গ ও জলশূন্যতার সমস্যা। গুরুতর অসুস্থতা নিয়ে তাঁকে ভর্তি করানো হয় হাসপাতালে। পরীক্ষায় দেখা যায় কুকুরের মল পেটে গিয়ে সংক্রমণ ছড়িয়েছে। প্রায় তিন দিন হাসপাতালে থাকার পর বাড়ি ফিরতে পেরেছেন আমান্ডা। ইতিমধ্যে সুস্থ হয়ে উঠেছে কুকুরটিও। তাঁকে হাসপাতালে পাঠালেও পোষ্যকে তিনি ক্ষমা করে দিয়েছেন বলেই দাবি আমান্ডা